এমসি কলেজে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রথম সাক্ষী এবং মামলার বাদী উপস্থিত থাকলেও মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়ার কারণে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত করেছেন আদালত।

রোববার (৭ মার্চ) সাক্ষ্যগ্রহণের নির্ধারিত তারিখ সকাল সাড়ে ১১টায় সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হকের আদালতে মামলার ৮ আসামিকে হাজির করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের নির্ধারিত দিনে প্রথম সাক্ষী এবং মামলার বাদী উপস্থিত ছিলেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শহিদুজ্জামান চৌধুরী জানান, ধর্ষণ সংঘটিত হওয়ার সময় ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনায় আরেকটি মামলা একই আদালতে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য উচ্চ আদালতের আদেশের কারণে এবং দুটি মামলা বাদী পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়ার কারণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত রাখেন।

গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। কলেজের গেট থেকে স্বামীসহ তাকে ধরে ছাত্রাবাসে এনে স্বামীকে বেঁধে নারীকে গণধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে, রবিউল ও মাহফুজুরকে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর চার্জশিট গ্রহণ করে আদালত। সহায়তা করতে অভিযুক্ত করা হয়। আট আসামিই বর্তমানে কারাগারে আছেন। তারা সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী হিসেবে পরিচিতি।